ছোট বাচ্চাদের পিক | ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক

আজকের আর্টিকেলটি তে আমরা দেখবো ছোট বাচ্চাদের পিক, ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক, ছোট বাচ্চাদের প্রোফাইল পিক। ছোট বাচ্চাদের পিক ছোট বাচ্চাদের পিক সুন্দর সুন্দর গুলো আজকের আর্টিকেলটি তে আমরা শেয়ার করবো। চলুন শুরু করা যাক।

সূচিপত্র: ছোট বাচ্চাদের পিক | ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক

আমরা অনেকেই আছি যারা ছোট বাচ্চাদের পিক নানা কাজে বা নানান রকম দরকারে ছোট বাচ্চাদের পিক খুঁজে থাকি।যেমন অনেকেই আছেন ছোট বাচ্চাদের পিক নিজের প্রোফাইলে শেয়ার করতে পছন্দ করেন।সেই কারনে ও আপনারা ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক খুঁজে থাকেন। আপনাদের কথা চিন্তা করেই আজকে আমরা ছোট বাচ্চাদের পিক নিয়ে আজকের আর্টিকেলটি শেয়ার করছি।

ছোট বাচ্চাদের পিক 

নিচে কিছু ছোট বাচ্চাদের পিক শেয়ার করা হলো। আপনি চাইলে এইখান থেকে নিতে পারেন ছোট বাচ্চাদের পিক গুলো। পছন্দ না হলে আরো পাবেন একটু নিচেই আমি ছোট বাচ্চাদের পিক সেগুলো ও দিয়ে দিবো।তার আগে এই গুলো দেখে নিন।


ছোট বাচ্চাদের পিক


ছোট বাচ্চাদের পিক 



ছোট বাচ্চাদের পিক 



ছোট বাচ্চাদের পিক 



ছোট বাচ্চাদের পিক 




ছোট বাচ্চাদের পিক 



ছোট বাচ্চাদের পিক 


ছোট বাচ্চাদের পিক 



ছোট বাচ্চাদের পিক 



ছোট বাচ্চাদের পিক 


ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক 


এই হলো কিছু সুন্দর সুন্দর ছোট বাচ্চাদের পিক। দেখে নিবেন ভালো করে ছোট বাচ্চাদের পিক গুলো আপনাদের পছন্দের তালিকায় থাকে কিনা। এবার চলুন আরো কিছু অসম্ভব সুন্দর সুন্দর ছোট বাচ্চাদের পিক গুলো দেখে নেই। নিচে কিছু ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক শেয়ার করা হলো।



ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক 


ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক 


ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক 


ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক 


ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক 


ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক 


ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক 


ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক 


ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক 



ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক 



ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক 



ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক 



ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক 


ছোট বাচ্চাদের প্রোফাইল পিক 











এই গুলোই হলো আজকের আর্টিকেলটির সেরা কিছু ছোট বাচ্চাদের পিক। আপনাদের জন্য ছোট বাচ্চাদের পিক গুলো শেয়ার করা হয়েছে আশা করি আপনাদের ছোট বাচ্চাদের পিক গুলো ভালো লাগবে। ছোট বাচ্চাদের কিউট পিক প্রত্যেক টা ভালো করে দেখে নিবেন।

আজকে আমরা আপনাদের মাঝে এমন কিছু কিউট কিউট ছোট ছোট বাচ্চাদের পিক সোনামুনিদের ছবি শেয়ার করেছি আশা করি তা আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। বাচ্চাদের দেখতে আদর করে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া কষ্টকর। বাচ্চারা অনেকটা ফুলের মত, নিষ্পাপ আর সুন্দর তাই মানুষ ছোট বাচ্চাদের ভালবাসে। ফুলের ছবি দেখে যেমন মন শান্ত হয় একইভাবে ছোট বাচ্চাদের কিউট কিউট পিক দেখেও হয়।

আমাদের প্রত্যেকেরই তার জীবনে একটি সন্তান হওয়া দরকার যা তার জীবনকে সুখী করে তোলে।এখানে আনন্দ এবং আনন্দ দেয় এবং প্রতিটি মা সর্বদা চান তার সন্তান তার জীবনে সাহায্য করা এবং তিনি যখন বড় হন তখন তাকে সহায়তা করা এবং মা তার কন্যার পদক্ষেপ অনুসরণ করে তার প্রথম পদক্ষেপের আগে পর্যন্ত তিনি পাত্রী হন এবং তার মধ্যে অনেক আনন্দ করেন।

ছোট বাচ্চাদের কেন ভালবাসায় রাখতে হয়?

শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিশুদের মাধ্যমেই গড়ে ওঠবে সময়ের নতুন বিশ্ব। তাই ইসলাম শিশুকে স্নেহ-মমতা ও আদর-যত্ন দিয়ে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছে। যাতে তারা প্রকৃত মানুষ ও সুনাগরিক হয়ে, দেশ ও দশের 

কল্যাণে কাজ করতে পারে।

কিন্তু খবরের পাতায় ও গণমাধ্যমে চোখ বুলালে দেখা যায়, আমাদের দেশে বর্তমানে শিশু নির্যাতনের হার অনেক বেড়ে গেছে। দারিদ্র্যপীড়িত অনেক শিশুই লেখাপড়া ও শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

ভালোবাসা ও স্নেহ শুধু নিজের বাচ্চাদের প্রতি ভালোবাসা সীমাবদ্ধ রাখা নয়। বরং ইসলামের দৃষ্টিতে সব শিশুর প্রতি স্নেহ ও ভালোবাসা প্রকাশ আবশ্যক। বিশেষ করে মা-বাবার মমতা হারা শিশুদের স্নেহের বন্ধনে আবদ্ধ করা চাই। তাদের প্রতি সাহায্য-সহায়তার হাত বাড়ানো জরুরি। মহানবী (সা.) বলেন, ‘আমি ও এতিমের প্রতিপালনকারী জান্নাতে এভাবে থাকব। ’ একথা বলে তিনি তার তর্জনী ও মধ্যমা অঙ্গুলির মধ্যে সামান্য ফাঁক রাখেন। (বুখারি, হাদিস নং: ৪৯৯৮)

মহানবী (সা.) শুধু শিশুদের ভালোবাসেন নি। বরং তাদের খোঁজখবরও নিতেন। মাঝে-মধ্যে তাদের সঙ্গে আনন্দ-রসিকতা করতেন। ঘোড়া সেজে অনেক সময় নাতি হাসান ও হোসাইনকে পিঠে নিয়ে মজা করতেন।

আনাস (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) আমাদের বাড়িতে আসতেন। আমার ছোট ভাইয়ের (তার উপনাম ছিল আবু উমায়ের) একটি বুলবুলি পাখি ছিল। সে তার প্রিয় পাখিটি নিয়ে খেলা করতো। একদিন পাখিটি মারা গেল। এরপর একদিন রাসুল (সা.) আমাদের বাড়িতে এসে দেখলেন, আবু উমায়েরের মন খারাপ। মহানবী (সা.) জিজ্ঞেস করলেন, আবু উমায়ের মন খারাপ কেন? সবাই বললো, তার বুলবুলি পাখিটা মারা গেছে। তখন মহানবী (সা.) বললেন, ‘হে আবু উমায়ের! কী করেছে তোমার নুগায়ের?’ (আবু দাউদ, হাদিস নং : ৪৯৭১)

বিশ্বনবী হয়েও তিনি শত ব্যস্ততার মাঝে শিশুদের খোঁজখবর নিতেন। এটি তার অনুপম ও সুমহান চরিত্রের দ্যুতিময় দৃষ্টান্ত। শিশুর প্রতি মহানবী (সা.)-এর ভালোবাসার কারণে শিশুরাও মহানবী (সা.)-কে গভীরভাবে ভালোবাসতেন। আবদুল্লাহ বিন জাফর (রা.) বলেন, মহানবী (সা.) যখন কোনো সফর শেষে বাড়িতে ফিরতেন, তখন বাচ্চারা তার আগমনের পথে গিয়ে অভ্যর্থনা জানাত। একবার তিনি তার সফর থেকে এসে আমাকে তার বাহনের সামনে বসালেন। অতঃপর নাতি হাসান, হোসেন (রা.)-কে বাহনের পেছনে বসালেন। তারপর আমাদের নিয়ে তিনি মদীনায় প্রবেশ করলেন। (মুসলিম, হাদিস নং: ৬৪২১)

মক্কা বিজয়ের পর যখন মহানবী (সাঃ) মক্কা শহরে আগমন করেন, তখন কিছু ছোট বাচ্চা তার কাছে আসলে তিনি তাদের আদর-সোহাগ করেছিলেন। তাড়িয়ে দূরে সরিয়ে দেননি।

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, বিজয়ীবেশে মহানবী (সা.) যখন মক্কায় প্রবেশ করেন তখন আবদুল মুত্তালিব বংশের ছোট ছোট ছেলেরা তার কাছে আসে। তিনি তাদের একজনকে নিজ বাহনের সামনে বসালেন এবং অপরজনকে পেছনে বসালেন। (বুখারি, হাদিস নং: ১৭০৪)

শিশুদের সঙ্গে রাসুল (সা.)-এর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও গভীর ভালোবাসা ছিল। অথচ আমাদের অনেকে শিশুদের অপহরণ ও পাশবিক নির্যাতন করে নিজেদের কলঙ্কিত করছি। ক্ষেত্র বিশেষে পাষণ্ডতা ও রূঢ়তা প্রকাশ করছি।

আজকের মতো এতোটুকুই আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। ছোট বাচ্চাদের পিক সম্পর্কেই ছিল আমাদের আজকের আর্টিকেলটি। আবার আসব নতুন কিছু নিয়ে ততদিন পর্যন্ত ভালো থাকবেন আর আরো নিত্য নতুন তথ্য জানতে আমাদের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ।16056

Next Post
No Comment
Add Comment
comment url